মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৯ ডিসেম্বর ২০১৬

উদ্ভাবন সক্রান্ত প্রকল্প

২০১৫-১৬ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেবা

প্রক্রিয়া মানোন্নয়নের লক্ষ্যে উদ্ভাবন কার্যক্রমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন

 

০১।    অনলাইন সেবা:

Real-time online Toll Collection System of 6th Bangladesh-China Friendship (Mukterpur) Bridge:

৬ষ্ঠ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী (মুক্তারপুর) সেতুর টোল আদায় পদ্ধতি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি অনন্য ব্যবস্থা। একটি Real-time Digital Toll Collection System-এর মাধ্যমে এই সেতুর টোল আদায় কার্যক্রম পরিচালিত হয়। যানবাহন সেতু পারাপারের জন্য টোল প্লাজায় উপস্থিত হলে প্রথমে যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি সিস্টেমে এন্ট্রি দেয়া হয়। এই সিস্টেমটি সরাসরি বিআরটিএ-এর database-এর সাথে সংযুক্ত থাকায় যানবাহনটির প্রকৃত শ্রেণীসহ বিস্তারিত তথ্য সিস্টেমে প্রদর্শিত হয়। সিস্টেমে প্রদর্শিত শ্রেণী এবং তথ্য অনুযায়ী যানবাহনটিরটোলের হার নির্ধারিত হয় এবং সে অনুযায়ী টোল আদায় করা হয়। টোল পরিশোধিত হলে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সম্মুখের প্রতিবন্ধকটি সরিয়ে যানবাহটিকে সেতু পারাপারের জন্য যেতে দেয়। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে মাত্র ১০/১৫ সেকেন্ড সময় প্রয়োজন হয়। পরিশোধিত টোলের পরিমাণসহ টোল আদায় সংক্রান্ত সকল তথ্য সিস্টেমে সংরক্ষিত হয়। টোলের অর্থ নির্দিষ্ট ব্যাংকে জমা করা হয়। টোল আদায়ের মোট পরিমাণ, কোন শ্রেণীর যানবাহন হতে কি পরিমাণ টোল আদায় হয়েছে ইত্যাদি তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে সিস্টেমে প্রদর্শিত হয়। টোল আদায় প্রক্রিয়া, টোলের অর্থ জমা সংক্রান্ত সকল তথ্য, টোল প্লাজা এলাকার ভিডিও চিত্র বনানীস্থ বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তর হতে VPN-এর মাধ্যমে সরাসরি মনিটর করা হয়।

ইতোপূর্বে ইজারাদারের মাধ্যমে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে টোল আদায়কালে যানবাহনের প্রকৃত শ্রেণী, টোলের প্রকৃত পরিমাণ ইত্যাদি নিয়ে ইজারাদারের সাথে সেতু ব্যবহারকারীর প্রায়শই বিতর্কের সৃষ্টি হতো। এতে যেমন টোল আদায় কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটতো তেমনি সেবা গ্রহীতাদেরও সময়ের অপচয় হতো। তাছাড়া, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে টোল আদায়েও অপেক্ষাকৃত বেশী সময় প্রয়োজন হতো। বর্তমান সিস্টেম ব্যবহারের ফলে যেমন toll transaction-এ সময় কম লাগছে, তেমনি টোল আদায় কার্যক্রমও সুষ্ঠুভাবে এবং স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন হচ্ছে। ফলে সেবাদাতা এবং সেবা গ্রহীতা উভয়েই উপকৃত হচ্ছে। তাছাড়া, সরাসরি বিআরটিএ-এর ডাটাবেইজের তথ্য ব্যবহার করায় যানবাহনের প্রকৃত শ্রেণী নিয়ে বিতর্কেরও কোন অবকাশ থাকছে না। 

 

০২।    সেবা প্রক্রিয়া সহজিকরণ:

অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা:

সেবা প্রত্যাশী জনসাধারণ যাতে সহজেই তাদের অভিযোগ বা মতামত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারে এজন্য সেতু বিভাগ এবং এর অধীনস্থ সংস্থা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে একটি অনলাইন Grievance Redress System (GRS) সংযোজন করা হয়েছে। জনসাধারণ অনলাইনে খুব সহজেই এর মাধ্যমে তাদের অভিযোগ/ মতামত/ পরামর্শ জানাতে পারছে। ইতোপূর্বে অভিযোগ/মতামত/পরামর্শ প্রদানের জন্য জনগণকে ডাকযোগে অথবা সরাসরি এসে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হতো। বর্তমান ব্যবস্থায় পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত হতেই এখন তা সম্ভব হচ্ছে।


Share with :